রোমান হরফে বাংলা     «Newspaper»   «Home»   «Map&Rev»

 

রোমের হরফে বাঙালির বুলি

‘মিত্র অ্যান্ড ঘোষ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড’-এর হাত ধরে ২০১৮-র জানুয়ারিতে একটি শোর উঠেছিল পশ্চিমবাংলায়—রোমান হরফে বাংলা বই ছাপানো নিয়ে। সুকুমার রায়ের ‘আবোল-তাবোল’, যোগীন্দ্রনাথ সরকারের ‘হাসিখুশি’ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সহজপাঠ’ বইয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড রোমান হরফে ছাপিয়েছিল মিত্র ও ঘোষ প্রকাশনা। উদ্দেশ্য—নতুন প্রজন্মের এবং বাংলা বোঝে কিন্তু পড়তে পারে না এমন পাঠকদের কাছে বাংলা সাহিত্য তুলে ধরা।

দেখে নেওয়া যাক, কেমন ছিল তার চেহারা—“Kal korechhen ajob rakom Chondeedaser khurro —/ Sabai shuney sabash baley parrar chheley burro./ Khurror jakhon alpo bayes— bachhor khanek habe —/ Uthlo kendey ‘gunga’ boley bheeshon attorabey.” বাংলা অর্থাৎ আদি হরফে—“কল করেছেন আজবরকম চণ্ডীদাসের খুড়ো—/ সবাই শুনে সাবাস্‌ বলে পাড়ার ছেলে বুড়ো।/ খুড়োর যখন অল্প বয়স বছর খানেক হবে—/ উঠ্‌ল কেঁদে ‘গুংগা’ বলে ভীষণ অট্টরবে।’ রোমান d হরফের নিচে এখানে অবশ্য একটি টান দেওয়া আছে, d দিয়ে ড থেকে d দিয়ে দ-কে আলাদা করার জন্য। অর্থাৎ রোমান হরফ বাংলা সব হরফের বা হরফের উচ্চারণের প্রতিসমতা মেটাতে পারেনি। আর তাই, রোমান হরফ d-এর নিচে টান; এই টানটি ব্যবহার করা হয়েছে t দিয়ে ট থেকে t দিয়ে ত-কে আলাদা করার জন্যও। একই স্বরের উচ্চারণের জন্য সব ক্ষেত্রেও একই রোমান স্বরবর্ণের ব্যবহার হয়নি। সর্বজনমান্যতা বা সর্বজনবোধ্যতার সমস্যা থেকেই গিয়েছে।

সে যাই হোক, বিতর্কে, অন্তত একটি বিশিষ্ট সংবাদপত্রের পাতায় অংশ নিয়েছিলেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, জয় গোস্বামী এবং পবিত্র সরকার। কারওর উদ্বেগ, কারওর বা আশঙ্কা। প্রকাশকদের মধ্যে ‘আনন্দ পাবলিশার্স’ এবং ‘দেব সাহিত্য কুটীর’-এর সাফ প্রত্যাখান; কেবল ‘শিশু সাহিত্য সংসদ’-এরই একটু নির্ভারতা। ‘বাংলা ভাষা বাঁচাও কমিটি’ বলে একটি সংগঠন আবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে স্মারকপত্রও পেশ করেছিল সেই সময় বাংলা ভাষা রক্ষার মহৎ উদ্দেশ্যে।

বলে নেওয়া ভাল, ভাষার সাথে লিপির তেমন কোন সম্পর্ক নেই। বাংলা ভাষা হোক রোমান হরফে লেখা, সে আদতে বাংলাই থাকে। যেমনটি থেকেছিল ১৯৭১ সালে কলকাতার ‘ইস্টার্ন পাবলিশার্স’-এর ছাপানো সুকুমার সেনের ব্যুৎপত্তিমূলক বাংলা ভাষার অভিধানে, ১৮৮১ সালে কলকাতার ‘থ্যাকার, স্পিংক অ্যান্ড কোম্পানি’-র ছাপানো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাসে, ১৮৮২ সালে কলকাতার অক্সিলিয়ারি বাইবেল সমিতির ছাপানো মার্ক লিখিত ‘সুসমাচার’-এ, তারও আগে ১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে বিচল বাংলা হরফে ছাপানো হ্যালহেডের বাংলা ব্যাকরণে, কিংবা আরও আগে ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে ছাপানো মানোএল দা আসসুম্পসাউঁয়ের বাংলা ব্যাকরণে। সবগুলোই রোমান হরফে ছাপা, কিন্তু আদতে বাংলা।

পুঁথিতে আরবি হরফে বাংলার দেখা মেলে। এরকম অনেক হাতে লেখা পুঁথি পড়ে আছে বিভিন্ন সংগ্রহশালায় বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেতাবখানায়। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানেও আরবি তথা আরবি-ফারসি হরফে বাংলা লেখার ব্যর্থ রাজনৈতিক প্রচেষ্টা হয়েছে। ব্যর্থতা-সফলতা এবং তার কারণের আলোচনায় না গিয়ে, তা দেখতে কেমন হত তার একটা ধারণা আমরা পাই ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাপানো ‘বাঙ্গালা আদব কী তারীখ’ বা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বইয়ে, পাতায় পাতায় বাংলা কবিতার উদাহরণ আছে আরবি-ফারসি হরফে। উর্দুভাষীদের জন্য লেখা বই, করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য পড়ানোর জন্য। উদ্ধৃত কবিতাংশগুলো বাংলা, তার হরফ পাল্টালেও।

অনেক ভাষাই তাদের হরফ বা লিপি পাল্টেছে। সাঁওতালি অল-চিকিতে লেখা হলেও তা বাংলা এবং রোমান হরফেও লেখা হয়; কিন্তু ভাষা সাঁওতালিই। সংস্কৃত যেমন দেবনাগরীতে লেখা হয়, তেমনি লেখা হয় বঙ্গলিপিতে, ওড়িয়া লিপিতে, রোমান লিপিতে; ভাষাটা সব ক্ষেত্রেই সংস্কৃত। বাংলাদেশে অনেকেই চাকমা লেখেন বাংলা বা রোমান হরফে। ফেসবুকের দেয়ালে-দেয়ালে এর নমুনা ছড়িয়ে আছে; এবং সেই সব বাক্য বা শব্দ চাকমাই থেকে গিয়েছে।

রোমান হরফে বাংলা সেই ১৭৪৩ সাল থেকে লেখা হয়ে আসছে এবং, পরে, বিশেষত গবেষণা কর্মে। ১৮৯৪ সালে রোমান হরফে সংস্কৃত লেখার জন্য একটি মান ঠিক করা হয় জেনেভায় প্রাচ্যবিদদের এক সম্মেলনে। বাংলা বর্ণমালা যেহেতু সংস্কৃতের আদলে তৈরি, এতেই বাংলা লেখা হচ্ছিল, একটি সমস্যা মেনে নিয়ে। ড়, ঢ়, য় ইত্যাদি হরফের জন্য লেখা হত ḍ (ফুটকি), ḍhও yযা আদতে ড, ঢ এবং য-ও বোঝায়। এ সমস্যা দূর করা হয়েছে সর্বশেষ নিয়মে যার নাম ‘আমাস ১৫৯১৯: লাতিন হরফে দেবনাগরী ও সম্পৃক্ত ইন্দীয় লিপির প্রতিবর্ণীকরণ’— আমাস হল আন্তর্জাতিক মান সংস্থা; এই নিয়ম সংস্থাটির সনদ পেয়েছে ২০০১ সালের আগস্ট মাসে।

রোমান হরফে বাংলা লেখার শুরুর দিকেই আমজনতা বা প্রশাসনের কাজে ব্যবহারের জন্য একটি সহজবোধ্য এবং সহজে মুদ্রণযোগ্য নিয়মে প্রয়োজন হয় পড়ে, যেখানে কোন টান, ফুটকি কিংবা অন্য কোন বর্ণাশ্রয়ী চিহ্নের ব্যবহার থাকবে না। ইংরেজদের শাসনামলে ভারতের মহাভূমিজরিপকর্তা উইলিয়াম উইলসন হান্টার ১৮৭৫ সালে ছাপানো ‘ভারতের জরিপ বিধি’ বইয়ের তৃতীয় সংস্করণে প্রতিহরফের একটা ব্যাখ্যা দেন। এই পদ্ধতি হান্টারের নিজের নয়; উইলিয়াম জোন্‌সের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে দাঁড় করানো; আবার জোন্‌সের পদ্ধতির ভিত্তি হল চালর্স উইলকিন্সের দেবনাগরীর রোমানীকরণের পদ্ধতি। তবে হান্টার যে পদ্ধতি দাঁড় করিয়েছিলেন তার অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে কালক্রমে এবং এখনও পর্যন্ত এই পদ্ধতিটিই একটু উলটে-পালটে সাধারণভাবে সাধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে ইংরেজ শাসনামলের ভারতবর্ষের বর্তমান দেশগুলিতে। মাঝের সময়টিতে বাঘা-বাঘা ভারততত্ত্ববিদ বা প্রাচ্যবিদেরা অনেক নিয়ম দাঁড় করিয়েছিলেন রোমান হরফে বাংলা লেখার জন্য। তাতে বর্ণাশ্রয়ী চিহ্নের বিশাল ফর্দ যা আমজনতার নাগালের বাইরে।

আমাদের বর্তমান অর্থাৎ কম্পিউটারে বা ফোনে রোমান হরফে বাংলা লেখার সমস্যার শুরু বর্তমান সময়ের একটু আগে। যখন কম্পিউটার আমাদের হাতের নাগালে আসে, গেল শতকের নয়ের দশকে। ঝামেলা হল, বেশ কসরৎ করে কম্পিউটারে বাংলা লেখা গেলেও, বৈদ্যুতিন পত্র বা ই-মেলে বাংলা লেখা যেত না। বাংলা লেখা যেত না বিশ্বব্যাপী অন্তর্জাল, বুলেটিন বোর্ড সিস্টেম, ইন্টারনেট রিলে চ্যাট বা ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং-এ। প্রথমদিকে মুঠোফোন বা চলভাষ— যাই বলি না কেন সেগুলোতেও বাংলা লেখা যেত না। তাই সাদামাঠাভাবে কম্পিউটারের ১২৮ খোপের একটি হরফের ভাঁড়ারের ওপর নির্ভর করতে হত। এই হরফের ভাঁড়ারের পোশাকি নাম আস্‌কি (ASCII বা American Standard Code for Information Interchange)।

সমস্যা হল, আস্‌কি ব্যবহার করে কীভাবে বাংলা লেখা হবে, তা নিয়ে। বাংলা বানানটাই রোমান হরফে বানান করা হবে, না কি বাংলার উচ্চারণটা রোমান হরফে উচ্চারণের চেষ্টা করা হবে? ত এবং ট বা দ এবং ড-এর পার্থক্য কী করে t বা d দিয়ে বোঝানো যাবে? অনেকেই ফোনে বা কম্পিউটারে বড়-হাতের T এবং D লেখেন। অথবা য এবং য় লিখতে কেবল y-এর ব্যবহার হবে? এ ক্ষেত্রে যায়কে yay লিখতে হয়; এতে উচ্চারণের অসুবিধে দূর করার জন্য jay লেখাই যায়; তবে, জয় কি করে লেখা হবে? joy লেখা যেতেই পারে; তবে জ-এর পরে o-টি আদতে ব্যঞ্জনের অন্তর্নিহিত অ নাকি ও-কার? কেবল n দিয়ে দন্ত্য-ন, না কি মুর্ধণ্য-ণ? ড় এবং ঢ় কি r, যা কিনা আদতে র? চ যদি ch হয়, ছ তবে chh। হরফের ভার এড়াতে পশ্চিমবাংলায় এ ক্ষেত্রে রোমান হরফে 6 (ছয়) সংখ্যার ব্যবহার বেশ— যেমন ছিল লিখতে 6ilo; বাংলাদেশে আবার এর বেশ বিরোধিতা। আরবি চ্যাটের নিয়মেও কিন্তু আইন নামের হরফটির বেলায় 3 এবং গাইনের বেলায় 3’ ব্যবহৃত হত প্রতিবিম্বিত দৃশ্যগত সাদৃশ্যে; আরবি হা, উর্দুতে যা বড়ী হে, লিখতে রোমান 7 হরফটির ব্যবহার হত।

বাংলা যে কোনও অ-এর পরে ই বা উ, হ্রস্ব বা দীর্ঘ, হলে বানানের অ উচ্চারণে ও। এই সমস্যা ঐ এবং ঔ-এর ক্ষেত্রেও। জোড়া-হরফের বেলায় সমস্যাটি মোটামুটি সঙ্কটের পর্যায়ে পড়ে। স্মরণ, সরণ বা শরণ কি sharon, shoron, shauron, নাকি shawron? বানান বা উচ্চারণ কোনটাই বোঝা যায় না। শব্দের ফারাকটাও মানা হয় না। ফলে একই বাংলা শব্দের নানান বানান রোমান হরফে চালু হয়েছে। সুবিধে হয়ত হয় তাঁদের জন্য, যাঁরা কিবোর্ডে বাংলা লেখার অভ্যাস করে উঠতে পারেননি। কিন্তু অসুবিধে হয়েছে বেশি। বাংলার বানান রোমান হরফে লেখার চেষ্টা বা বাংলার উচ্চারণকে রোমান হরফে উচ্চারণের চেষ্টায়, প্রায়শই ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত উচ্চারণের প্রভাব বোধগম্যতাকে কষ্টসাধ্য করে তুলেছে। কারণ, এখন অনেকেই যারা বঙ্গহরফ এবং রোমান হরফের প্রতিসমতা নিয়ে ভাবেন না বা ভাবার প্রয়োজন বোধ করেন না, তাঁরা দিব্যি রোমান হরফে অদ্ভুত কিছু শব্দ বাংলা শব্দ, বানানে এবং উচ্চারণে তৈরি করছেন।

আমার লিখতে অনেকেই amr লিখছেন আবার আমাদের লিখতে amader; কখন কে কোন স্বর ছেড়ে দিচ্ছেন এবং তাতে আর কারওর বুঝতে বেশ অসুবিধে হচ্ছে। পশ্চিমবাংলায় যখন কেউ ছ লিখছেন 6 দিয়ে, কেউ বা লিখছেন ch বা chh দিয়ে। বাংলাদেশে চ, এমনকী ছ-ও, কেউ বা লিখছেন c, ch বা chhদিয়ে আবার কেউ বা লিখছেন s দিয়ে। বছর আট-ন’ আগের এরকম একটি ঘটনা একটা নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছে, অন্তত বাংলাদেশে, রোমান হরফে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে। কেউ একজন কোনও এক আন্তর্জালিক আলাপে তর্কে লিপ্ত এবং ক্ষিপ্ত হয়ে লিখেছিলেন— Murad takla jukti dia bal, falti pic dicos kan! Lakapar kora kata bal; রোমানিকরণে ইংরেজি a-এর মান আ বা আ-কার হলেও, এর নাম বাঙালির জিহ্বায় এ হওয়ায়, অনেকেই a দিয়ে এ বোঝান এবং আ-ও। পুরো বাক্যটি বাংলা হরফে লিখলে দাঁড়ায়— মুরদ (বা আঞ্চলিকতায় মুরাদ, যা আদতে লোকের নামও হতে পারে) থাকলে যুক্তি দিয়ে বল, ফালতু (শেষের u উত্তেজনায় বা আঙ্গুলের ভুলে i) পিক (ছবি, pic) দিছস ক্যান! লেখাপড়া (আকারের জন্য a-এর অনুপস্থিতি) করে কথা বল। ‘মুরাদ টাকলা’ এখন একজন কল্পিত লোকের নাম যার রোমান হরফে লেখা বাংলায় ‘জোয়ার−ভাঁটা’ guar bata, ‘ছোট্ট ছেলে’ sotto sala, ‘মজার লোক’ mogar lock কিংবা ‘চোখের পানি’ cocker pani; এবং শব্দবন্ধটি একটি গালি বিশেষ।

ভাষাতত্ত্ববিদ প্রবাল দাশগুপ্ত তাঁর ব্লগে রোমান হরফে বাংলা, আদতে বাংলার উচ্চারণ, লিখতে বানানের দিকে না তাকিয়ে অ-কে O, বাংলার শ, ষ এবং স-এর উচ্চারণকে S, য়-কে Y, ট এবং ড-কে T এবং D, ড়-কে R, চন্দ্রবিন্দুকে M, এবং অ্যা-কে E দিয়ে লিখতেন— diggOj gOjopotir monomohini aSmani kirup rupoboti, janite paThok mOhaSOYer koutuhOl jonmiyache SOndeho nai—দিগ্‌গজ গজপতির মনোমোহিনী আশ্‌মানি কিরূপ রূপবতী, জানিতে পাঠক মহাশয়ের কৌতূহল জন্মিয়াছে সন্দেহ নাই। সেটাও একটা নিয়ম। এবং উচ্চারণ বোঝানোর জন্য বেশ ভাল নিয়ম।

নিয়ম মেনে রোমান হরফে বাংলা লেখা ভাল, উচ্চারণ বোঝাতেই হোক বা বানান বোঝাতে। সকলে, অন্তত যাঁরা নিয়মটি জানেন, সহজে বোঝে। এতে ভাষার কোন ক্ষতি হয় না। বাংলা হরফে বাংলা লেখা আরও ভাল। তাতে ভাষার ভালবাসা এবং সৌকর্য বজায় থাকে। কিন্তু বেনিয়মে, তা বাংলা হরফে হোক বা রোমান হরফে, বাংলা লেখা মোটেই ভাল নয়। এতে মুরাদ টাকলার সংখ্যা বাড়ে এবং ভাষার অসম্মান হয়।

 

কোলকাতার সংবাদ প্রতিদিনের সাহিত্য ক্রোড়পত্র রোববারে
রোমান সভ্যতার খুঁটিনাটি’ শিরনামায় ৩১শে জানুয়ারি ২০২১-এ প্রকাশিত। পৃ ১৬–১৯।

«The Roman cloak of Bangla text» is an English version of a sort of the article published in New Age on 21 Feb. 2021.

 

Rev.: iv·xii·mmxxii